শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সম্পূর্ণ খবর
AD | ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২১ : ১০Abhijit Das
জয়ন্ত ঘোষাল
এবার গঙ্গাসাগর মেলার সময় রাজ্যের বাইরে থেকে ঠিক কত মানুষ আসতে পারে তার একটা আগাম সমীক্ষা করান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। অতিরিক্ত লাখ লাখ মানুষ রেলপথে আসতে পারে জানতে পেরেই মমতা নিজেই রেলমন্ত্রকের সঙ্গেও যোগাযোগ স্থাপন করেন। তিনি নিজে কেন্দ্রে দীর্ঘদিন রেলমন্ত্রী ছিলেন। তাই তিনি রেল চলাচলের বিজ্ঞানটা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাই মমতার মুখ্যসচিব এবং মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে অতিরিক্ত ট্রেনের ব্যবস্থা করেন।
এবার নয়াদিল্লি স্টেশনে যে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা হয়েছে, তারপর কুম্ভের জ্ন্য আরও অনেক ট্রেনের ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা, প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এতো চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। কেন মমতার মতো দিল্লি স্টেশনে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। রাজধানী দিল্লি স্টেশনের কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। আলোকসজ্জা, রঙ করা, ঝাঁ তকতকে ব্যবস্থা। কিন্তু কেন কুম্ভের জন্য কত ভিড় হবে তার আগাম স্টাডি করা হল না। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ পার্থ প্রতিম বিশ্বাস বলেছেন, সর্বদাই স্টেশনের একটা মানুষ ধারন ক্ষমতা আছে। দিল্লিতে শেষ মুহূর্তে প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তনের কথা ঘোষণা হচ্ছে এদিকে প্ল্যাটফর্মের দু'দিক থেকে দু'টি ট্রেন। লোক নামছে। এই অরাজকতা অব্যবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমরা অদৃষ্টের ওপরেই যেন রেলকে ছেড়ে দেয়েছি।
গরিব মানুষ সংখ্যায় বেশি। আবার তাঁদের জন্যই দরকার বেশি সংখ্যক বগি। সেই ব্যবস্থা যদি রাজধানী দিল্লির স্টেশনে না হয় তাহলে আর কোথায় হবে? এই মুহুর্তে প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অভিজ্ঞতার কথা শুনলে হয়তো রেলমন্ত্রী ভাল করতেন।